- ঋতুরানীর রঙ্গলীলা
-সুমিত ঘোষ
গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম জান করে হাঁসফাঁস
ঊর্ধ্ব পানে চেয়ে থাকি কখন বৃষ্টি দেবে আকাশ।
Sun stroke এ মারা পড়ে কত লোকজন
মানুষ এর জন্য দায়ী, কেন কাটে বন?
বর্ষায় মৌসুমী বায়ু মেঘে ভরায় আকাশ
সবুজ হইয়া ওঠে নদী তীরের কাশ।
ঝম ঝম বৃষ্টি ঝরে সকাল থেকে সাঁঝ
চাষী ভাই মাঠে করে আমন রোয়ার কাজ।
নতুন জলের প্রেমে ব্যাঙেরাও ডাকে
কতশত সাদা বক ধান খেতে থাকে।
রাখাল যায় গরু নিয়ে বহুদূরে চলে
মেঘ ধরলেই আসবি ফিরে মা দিয়েছেন বলে।
শরৎ প্রাতে সাঁতার কাটে সাদা মেঘের দল
হেমন্তেতে শিউলি ঝরে যেন মখমল।
দুর্গাপূজায় বাদ্যি বাজে নেচে ওঠে মন
নতুন জামা পরে ঠাকুর দেখতে যায় ভাই বোন।
নদী তীরে কাশ হাসে আমন দোলায় মাথা
বাঙালির বড় উৎসবে না পায় কেহ ব্যথা।
সোনালী রোদ গায়ে মেখে সোনালী ধান হাসে
ঠান্ডা লেগে শিশু-বৃদ্ধ খক খক কাশে।
শীতকালে হরেক সবজি, হরেক পোশাকের মেলা
স্কুলে স্কুলে হয় কত হরেক রকম খেলা।
শীতকালে বড়দিন কেক খাওয়ার পালা
দিকে দিকে পিকনিক আর কত মেলা।
বীণাপাণির আরাধনার মাঝে বসন্ত ওই আসে
হোলি খেলায় ছেলেমেয়েরা রং দিয়ে হাসে।
বসন্ত উৎসবে চলে কত বসন্তেরই গান
সঙ্গীতেরি মূর্ছনাতে উচাটন হয় প্রাণ।