বৈশাখী
সৌম্যদীপ ঘোষ
গ্ৰীষ্মের ঊষ্ণতা শেষে আসবে বর্ষা
স্নিগ্ধ বারি রাশিতে জুড়াবে প্রাণ
জন্মেছি যে রাঢ় বঙ্গে তাই কালবৈশাখী রাখলো মান
করালো না অপেক্ষা
হয়তো তোমার আসার
ঝড়ের স্পর্শে দূর্বল আমের মুকুল ঝরে পড়ে বার বার
হয়তো সেই রিক্ত শাখায় আর ধরবে না ফল
কিন্তু আমরা তো আশায় বাঁচি
তাই হয়তো মন হয়নি এখনো বিকল
ভেবেছি কখনো তোমার চুলের বিনুনির মতো
বজ্র রাশি হৃদয় করবে বিদীর্ণ
বিধাতা তখন হেসে
বললেন উঠে পড়ো এ তোমার নিছক স্বপ্ন
ঝঞ্ঝার মাঝে অর্ধেক ভেঙে পড়া পাখির বাসা
চেয়েছে ঝর থেকে নিবৃত্তি
আমার স্বপ্নে বুক বাঁধার হয়তো ছিল না তোমার প্রবৃত্তি
মাটির ভেজা গন্ধে আমি খুঁজেছি তোমার মৃদু ঘ্রাণ
ঝরে পড়া ফুলকে বলতে শুনি যে টুকু পেয়েছি
তাকেই ভেবে ঈশ্বর এর দান
এই গল্পে হয়তো ভাঙা ডালে পাতা গজাবে না কোনদিন
তবু রাখি আশা
যদি ঝড় শেষে প্রকৃতি হয়ে ওঠে আবার রঙিন