কবিতার নাম :- রুদ্ধ কণ্ঠের আর্তনাদ
আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া, পারি নি করিতে চিৎকার!
যন্ত্রণা প্রলুব্ধ আমায় দেখে, করবে কি এরা প্রতিকার?
চিৎকার! চিৎকার করিয়া পাবো কি অঙ্গীকার?
মানবতাহীন দানব লেনিন করেছে পাষাণ প্রহার;
বন্ধুরূপী বহুরূপী সঙ্গীরা দিয়েছে সঙ্গ তাহার।
কলঙ্কিনী বানালি যারে, ভাবলি না তুইও তো তাঁরই আধার;
সঙ্গিনী রাক্ষসী রূপে দেখালি স্বার্থের রূপকার!
চিৎকার...! চিৎকার, ভাবিনি পড়বে না হাহাকার!
হরণে রাবণ পাচ্ছে সাজা; ধর্ষণে অভয়া পড়ছে কায়া,
ইজ্জতে হাত—সে ছিল জিহাদ; রুদ্ধশ্বাস আজ তিলোত্তমার।
চুপ আছে বীরপুরুষ, হুঙ্কারে কাপুরুষ—
এই প্রশ্ন জেগে ওঠে এখন সবার;
চিৎকার..! ও চিৎকার, হবে কি বিচার এইবার?
সাহসবিহীন মানবতাহীন বীরপুরুষ, পালা শিগগিরই!
উঠবে জেগে, আসবে তেড়ে বাঘিনীর দল;
করবে প্রমাণ, লুটাবে প্রাণ, লাগবে যত বলিদান—
এরা বাঘিনীর বীর, উচ্চ করিবে 'শির', রাখিবে না কাপুরুষের ভিড়।
এ যে এক আশার আলো, কতদিন জ্বলবে বলো?
আর কবে পড়বে হাহাকার? উঠবে গর্জে, হবে প্রতিকার?
আর কবে হবে এর প্রতিকার? এই রুদ্ধ কণ্ঠের চিৎকার—
পাবো কি এইবার বিচার? এই ভেবেই করিনি চিৎকার।
চিৎকার..! চিৎকার...! করিতে পারিনি চিৎকার..!!